অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে: আমানউল্লাহ আমান



অন্তর্বর্তী সরকারকে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে: আমানউল্লাহ আমান

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে এবং তারা প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করবে। ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, তাই যত দ্রুত সম্ভব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, যা বিএনপির সরকার, বেগম খালেদা জিয়ার সরকার হবে।



আজ শুক্রবার সকালে কেরানীগঞ্জের চড়াইল মাঠে নুরুল হক উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আমানউল্লাহ আমান এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, গত ১৬ বছরে যেসব রাজনৈতিক দল আন্দোলনে সক্রিয় ছিল, তাদের নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। এই সরকার হবে গণতান্ত্রিক এবং এতে সব দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।



তিনি আরও বলেন, ‘সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাই আমাদের দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চড়াইল নুরুল হক উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শামসুল হক। এছাড়া কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন, সহসভাপতি শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবীসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ: পরবর্তী করণীয়

 


সেন্ট মার্টিন জেটিঘাটে পযটকবাহী জাহাজ ভিড়লেই প্রপেলারের ঘূর্ণিপাকে তলদেশের বালু ওঠে এসে নীলজলের স্বচ্ছ পানি ঘোলাটে হয়ে যায়। সম্প্রতি তোলা



সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ: পরবর্তী করণীয়

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে আগামীকাল শনিবার থেকে পর্যটক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলও বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে দ্বীপের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে।



পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগ
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জমির উদ্দিন প্রথম আলোকে জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। এ সময়ের মধ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য করণীয় নির্ধারণে ২ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় দ্বীপ সংরক্ষণে মাসব্যাপী কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে দ্বীপকে বিভিন্ন সেক্টরে বিভক্ত করে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা, বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির উৎপাদন ও সরবরাহ, এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা। এছাড়া, স্থানীয় জনগণকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।



প্রশাসনের পরিকল্পনা ও স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া মাসব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণের কাজ পরিচালিত হবে। পাশাপাশি, পর্যটন নিষেধাজ্ঞার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

গত দুই মাসে অনলাইন নিবন্ধনের মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করেছেন। তবে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নভেম্বর মাসে পর্যটকদের দিনে গিয়ে ফিরে আসতে বলা হলেও, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে প্রতিদিন দুই হাজার পর্যটককে রাত্রিযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।



পর্যটন নিয়ন্ত্রণের ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব
দ্বীপের বাসিন্দারা পর্যটন নিষেধাজ্ঞার ফলে সম্ভাব্য লাভ ও ক্ষতি নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। স্থানীয় ব্যবসায়ী, হোটেল-মালিক ও জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে, পর্যটননির্ভর অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল স্থানীয়দের জীবিকা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, দ্বীপ সংরক্ষণে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের আগে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবেশকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের মতামত নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, দ্বীপে ২৩০টি অবৈধ হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়েছে, যা দ্বীপের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।




সরকারি সিদ্ধান্তে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে সময়সীমা ও পর্যটকের সংখ্যা সীমিত করায় রক্ষা পাচ্ছে প্যারাবনসহ জীববৈচিত্র্য। দ্বীপের দিয়ারমাথা সৈকতে। সম্প্রতি তোলা



পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব
পরিবেশবিদদের মতে, পর্যটন সীমিতকরণের ফলে দ্বীপের প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হচ্ছে। ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল জানান, এবার প্রথমবারের মতো পর্যটক নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রবাল আহরণ বন্ধ রাখা সম্ভব হয়েছে, সৈকতে কাছিমের ডিম পাড়ার পরিবেশ বজায় থাকছে, এবং লাল কাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকের বংশবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, অতিরিক্ত পর্যটকের কারণে দ্বীপের সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান হুমকির মুখে পড়েছিল। পর্যটকবাহী জাহাজের শক্তিশালী পাখার ঘূর্ণি সমুদ্রতলের বালু তুলে এনে পানিকে ঘোলাটে করত, যার ফলে প্রবাল-শৈবাল ধ্বংস হতো।

পরিবেশবিদরা সতর্ক করেছেন যে, পর্যটন নিষেধাজ্ঞার সময় যেন কোনো অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা না হয়। অতীতে দেখা গেছে, জুন-আগস্ট মাসে প্রশাসনের নজরদারি কম থাকার সুযোগে অবৈধ হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণের প্রবণতা বাড়ে। এবার এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।



প্রভাবিত খাত ও বিকল্প ব্যবস্থা
সেন্ট মার্টিনের প্রায় ৮০ শতাংশ বাসিন্দা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটন বন্ধের ফলে দ্বীপের টমটম চালক, হোটেল-রিসোর্ট ব্যবসায়ী, নৌকা মালিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

সেন্ট মার্টিন টমটম মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হামিদ হোসেন বলেন, দ্বীপে বর্তমানে চার শতাধিক টমটম রয়েছে, যা পর্যটকদের পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে এই ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

সেন্ট মার্টিন হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মৌলভি আবদুর রহিম জিহাদী বলেন, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে পর্যটন খাতে লাভজনক ব্যবসা হয়নি, ৭০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট খালি ছিল। বর্তমানে দ্বীপের ২৩০টি হোটেল রয়েছে, যার অধিকাংশই এই নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতির মুখে পড়বে।




সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকে ময়লা–আবর্জনা। দ্বীপের পূর্বপাশের জেটিঘাটে। সম্প্রতি তোলা



উপসংহার
সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, পর্যটন নিষেধাজ্ঞার ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা নিশ্চিত করা প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার, পরিবেশবিদ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দ্বীপের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নেতারা 'পলাতক', কীভাবে হরতাল-অবরোধ পালন করবে আওয়ামী লীগ?


ঘুরে দাঁড়াতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ, দলের সভাপতি শেখ হাসিনা

 


নেতারা 'পলাতক', কীভাবে হরতাল-অবরোধ পালন করবে আওয়ামী লীগ?

সূত্র: বিবিসি নিউজ বাংলা

  

বাংলাদেশে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারানোর প্রায় ছয় মাসের মাথায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১৬ ও ১৮ই ফেব্রুয়ারি হরতাল-অবরোধের ডাক দিয়েছে দলটি।

 


নিজেদের দাবির পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহ সারা দেশে লিফলেট বিতরণ ও বিক্ষোভ-সমাবেশ পালনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

 

"জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়া এই অবৈধ সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম।

 


এমন একটি সময় আওয়ামী লীগ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যখন দলের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ের অধিকাংশ নেতারা হয় কারাগারে, না হয় 'পলাতক' রয়েছেন।

 

এমনকি দলটির সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গত ছয় মাস ধরে ভারতে অবস্থান করছেন।

 

 

অন্যদিকে, গত পাঁচই অগাস্টের পর মামলা-হামলার ভয়ে ঘরছাড়া কর্মীরাও সবাই এলাকায় ফিরতে পারেননি। অল্প যে কয়েকজন ফিরেছেন, তারাও প্রকাশ্যে আসতে চাচ্ছেন না।

 

এ অবস্থায় দলটি কীভাবে হরতাল-অবরোধের মতো রাজপথের কর্মসূচি পালন করবে এবং সেক্ষেত্রে তারা কতটুকু সফল হবে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

 

এদিকে, আওয়ামী লীগ হরতাল-অবরোধ পালনের চেষ্টা করলে সেটি প্রতিহত করা হবে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

 

এর আগে, নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে গত দশই নভেম্বর দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেও শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নামতে পারেনি আওয়ামী লীগ।

 

পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে সেদিন মাঠ দখলে রেখেছিল বিএনপি-জামায়াত এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

 

"আওয়ামী লীগ যতক্ষণ পর্যন্ত না গণহত্যা, খুন ও দুর্নীতির জন্য ক্ষমা চাইবে, এর জন্য দায়ী নেতাকর্মীদের বিচারের মুখোমুখি করবে এবং বর্তমান নেতৃত্ব ও তাদের ফ্যাসিবাদী আদর্শ থেকে আওয়ামী লীগ যতক্ষণ সরে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে দেয়া সম্ভব না," বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

 

 


পাঁচই অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর নেতাকর্মীশূন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়

 


ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সাংগঠনিকভাবে রীতিমত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল আওয়ামী লীগ।

 

শীর্ষ নেতাদের একটি অংশ জেলে, বাকিরা পলাতক। এ অবস্থায় নেতৃত্বশূন্যতায় চরম দিশেহারা তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

 


 

কিন্তু গত কয়েক মাসে সেই বিপর্যয় কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে দলটি।


দেশে-বিদেশে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূলেও কেউ কেউ এলাকায়ও ফিরতে শুরু করেছেন।

 


অন্যদিকে, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের হতাশা ও অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছে দলটি। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাচ্ছে আওয়ামী লীগ

 


"দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলাসহ নানা কারণে দেশের মানুষ আজ অতিষ্ঠ। এই অবৈধ সরকারের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়, বাঁচতে চায়। তাই মানুষকে রক্ষা করার জন্য, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আমরা এই কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম।

 


"আমাদের এই লড়াই ক্ষমতা দখলের জন্য নয়, বরং জনতার শাসন প্রতিষ্ঠা করা জন্য," বলেন মি. নাছিম।

 


 আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম


 


কিন্তু কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বেশির নেতা যেখানে কারাবন্দি ও পলাতক রয়েছেন, সেখানে কর্মসূচি সফল হবে কীভাবে?

"আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের দল। জনগণের স্বার্থে, জনগণের দাবি আদায়ের জন্য এই আন্দোলন কর্মসূচি। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের নৈতিক সমর্থন রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষরাই এই হরতাল-অবরোধ পালন করবে," বলেন মি. নাছিম।

 


কর্মসূচি সফল করতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাও মাঠে থাকবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই নেতা।

"প্রতিটি এলাকায় আমাদের কর্মী-সমর্থকরা প্রস্তুত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে তারাও মাঠে থাকবেন এবং আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি পালন করবো," বলেন বাহাউদ্দিন নাছিম।

 


কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়া হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

 

পাঁচই অগাস্টের পর কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মারধরের শিকার হয়েছেন (১৫ই অগাস্টের ছবি)

 


কী বলছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা?

গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর মামলা-হামলার ভয়ে দেশের বেশিরভাগ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দিয়েছিলেন।


গত কয়েক মাসে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে আসায় তাদের কেউ কেউ এখন নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন।

 


এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের হরতাল-অবরোধের কর্মসূচিকে ঘিরে তৃণমূলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করছেন যে, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে তাদেরকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও তারা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি।

 


"মামলা-হামলার ভয়ে আমরা এমনিতেই বাড়িঘরে থাকতে পারতেছি না। এর মধ্যে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে যাওয়া মানে নিশ্চিত গ্রেফতার," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের এক নেতা।


তিনি আরও বলেন, "দেশের বাইরে বসে নেতারা তো কর্মসূচি দিয়েই খালাস। তাদের তো মাঠেও নামা লাগবে না, গ্রেফতার-নির্যাতনের শিকারও হতে হবে না। যা কিছু যাবে সব আমাদের ওপর দিয়ে।"

 


একই সুরে কথা বলেছেন তৃণমূলের অন্য নেতারাও। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা দলীয় কোনো কর্মসূচিতেই অংশ নেবেন না বলেও জানিয়েছেন কেউ কেউ।


"কর্মসূচি দিয়েছে ভালো কথা। সিনিয়র নেতারা আগে মাঠে নামুক, তারপর আমরাও নামবো," বলেন তৃণমূলের আরেক আওয়ামী লীগ নেতা।

 


"আমরা আন্দোলন করে সুদিন ফিরিয়ে আনবো, এরপর গায়েবি নেতারা এসে রাজত্ব করবে, কোটি কোটি টাকা কামাবে, এবার সেটা হবে না," বলছিলেন তিনি। তবে কর্মসূচিকে স্বাগতও জানিয়েছেন কেউ কেউ


"এতে কর্মীদের মনোবল বাড়বে, দলও চাঙ্গা হবে," বলেন আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের এক নেতা।

 

 


পাঁচই অগাস্টের পর কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মারধরের শিকার হয়েছেন (১৫ই অগাস্টের ছবি)

 


প্রতিহত করবে বৈষম্যবিরোধীরা

কর্মসূচি পালনের নামে আওয়ামী লীগ মাঠে নামার চেষ্টা করলে সেটি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।


"তারা যদি আবার এখানে এসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করে, কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার চেষ্টা করে, তাহলে এদেশের মানুষই তাদের প্রতিহত করবে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ।

 


জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের এই প্ল্যাটফর্মটি গত কয়েক মাস ধরেই বলে আসছে, শেখ হাসিনাসহ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত দলটিকে তারা রাজনীতি করতে দেবেন না।

সেই অবস্থানে এখনও অনড় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সমন্বয়করা।

 


"এদেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে সেই পাঁচই আগস্টে। সুতরাং তারা রাস্তায় নামলে এদের মানুষই পিটিয়ে তাদের রাস্তাছাড়া করবে। এজন্য আলাদা কর্মসূচি ঘোষণার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমরা মনে করি না," বলেন মি. মাসুদ।


যদিও এর আগে, নূর হোসেন দিবসে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর পাল্টা কর্মসূচি দিতে দেখা গিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে।

 


 


জুলাই হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন

 


সরকার যা বলছে

সরকারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, দল হিসেবে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা না চাওয়া এবং শেখ হাসিনাসহ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত নেতাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে দেওয়া হবে না।

 


"বিশ্বের কোনো দেশই খুনি ও দুর্নীতিবাজদের পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার সুযোগ দেয় না। অন্তর্বর্তী সরকারও দেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে এবং হত্যাকারীদের নেতৃত্বে যে কোনো প্রতিবাদকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে," আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের অ্যাকাউন্টের একটি পোস্টে লিখেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

 


"আওয়ামী লীগ ও তাদের ব্যানারে অন্য কেউ অবৈধ প্রতিবাদ করতে চাইলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে," ওই পোস্টে লিখেছেন মি. আলম।


তিনি দাবি করেছেন, শপথ গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকার ন্যায়সঙ্গত কোনো প্রতিবাদ বা বিক্ষোভে বিধি-নিষেধ আরোপ করেনি।

 



 গত দশই নভেম্বর আওয়ামী লীগে কেন্দ্রীয় কার্যলয়ের সামনে বিএনপির কর্মীদের অবস্থান

 


উল্লেখ্য, জুলাই-অগাস্টের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েকশ' হত্যা মামলা হয়েছে। ওইসব মামলায় দলের কয়েক ডজন নেতাকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে কারাগারেও পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 


এছাড়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ বিদেশে অবস্থানরত ও পলাতক অর্ধশতাধিক নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।


ইজতেমা ময়দানে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

 টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন শেষে র‌্যাবের মহাপরিচালক শহিদুর রহমান



ইজতেমা ময়দানে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

র‌্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে নিরাপত্তাজনিত কোনো ঝুঁকি নেই। দুই পক্ষের অন্তর্কোন্দল ছাড়া আপাতত অন্য কোনো সমস্যা দেখা যাচ্ছে না। ময়দানের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।



বৃহস্পতিবার দুপুরে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন শেষে র‌্যাবের কন্ট্রোল রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

র‌্যাব মহাপরিচালক আরও জানান, ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তায় র‌্যাবের ফুট পেট্রোল, গাড়ি ও মোটরসাইকেল টহল, স্ট্রাইকিং ফোর্স, রিজার্ভ ফোর্স, ড্রোন পর্যবেক্ষণ দলসহ সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। ময়দান ও আশপাশের এলাকা ১২৩টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটর করা হচ্ছে। এছাড়া, নদীপথে র‌্যাবের স্পিডবোটের মাধ্যমে নৌ-টহল পরিচালিত হচ্ছে।



বিশ্ব ইজতেমায় দেশ-বিদেশ থেকে লাখো মুসল্লির সমাগম ঘটে। এসময় মোবাইল চুরি, ছিনতাই, মলম পার্টির কার্যক্রম, মাদকাসক্তদের অপতৎপরতা ও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।



ইজতেমাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাব, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতায় দায়িত্ব পালন করছেন।

এই সময় র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জাহিদুল করিমসহ র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়


তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ

স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরসহ সাত দফা দাবিতে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁদের অবস্থানের ফলে আমতলী থেকে গুলশান ১ এবং গুলশান ১ থেকে আমতলী— উভয়মুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।



প্রথম আলোর প্রতিবেদক现场 থেকে জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি মিছিল নিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে তাঁরা ‘টিইউ না টিসি, টিইউ টিইউ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।



রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে আন্দোলন করছেন, তার মধ্যে সরকারি তিতুমীর কলেজ অন্যতম।



সাত দফা দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা



দাবি আদায়ে গতকাল বুধবার বিকেল থেকে পাঁচ শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেন। আজ সকালে তাঁদের মধ্যে দুজন— আমিনুল ইসলাম ও রানা আহমেদ— অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও দুই শিক্ষার্থী অনশন কর্মসূচিতে যোগ দেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নায়েক নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘গতকাল বিকেল পাঁচটা থেকে আমাদের অনশন চলছে। আজ সকালে দুজন অসুস্থ হয়ে পড়েন, কিন্তু শিক্ষকেরা কোনো সহযোগিতা করেননি। শিক্ষকদের এই উদাসীনতার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ করেছি।’



তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ব না।’

বেলা পৌনে একটার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।



শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা একটি গাড়ি যেতে বাধা দিচ্ছেন



শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি

১. সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা।
2. তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন গঠন করে ২০২৪-২৫ সেশনের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা।
3. শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করা অথবা তাঁদের আবাসিক খরচ বহন করা।
4. ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ন্যূনতম দুটি বিষয় (আইন ও সাংবাদিকতা) সংযোজন।


5. একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন পিএইচডি-ধারী শিক্ষক নিয়োগ।
6. শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে আসনসংখ্যা সীমিতকরণ।
7. গবেষণাগার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা।

শিশুদের জন্য সিপরোসিন সিরাপ: ব্যবহার, ডোজ ও সতর্কতা

ভূমিকা সিপরোসিন সিরাপ (Ciprosin Syrup) হল সিপ্রোফ্লক্সাসিন (Ciprofloxacin) নামক অ্যান্টিবায়োটিকের একটি তরল সংস্করণ, যা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক...