পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মধ্যে সড়কে আগুন জ্বালান সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। গত রোববার রাতে
ঢাবি ও সাত কলেজের সংঘর্ষে আহত রাকিবের ৫ দফা দাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদকে বহিষ্কার এবং সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন ঢাবি ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত মো. রাকিব।
বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে রাকিব এসব দাবি জানান। সংঘর্ষের সময় দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনে তাঁদের স্থায়ীভাবে প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গত রোববার সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ তাঁদের অপমান করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর, সহ-উপাচার্যের ক্ষমাপ্রার্থনা ও দাবিগুলোর বাস্তবায়নের দাবিতে সাত কলেজের কয়েক শ শিক্ষার্থী সন্ধ্যার পর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা অবরোধ করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে আসেন এবং নীলক্ষেত মোড়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে অবস্থান নেন।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে কয়েক শ শিক্ষার্থী বেরিয়ে এসে তাঁদের ধাওয়া দেন, ফলে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কিছুটা পিছিয়ে যান। পরে তাঁরা পুনরায় সংগঠিত হয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এই পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
রোববার সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, সহ-উপাচার্যের অসদাচরণের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা আহত হয়েছেন; তাই তাঁকে অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "এই হামলা পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।"
রাকিব আরও বলেন, "যেসব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করছেন, তাঁদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে ইউজিসি ও সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো ও রূপরেখা দ্রুত ঘোষণা করতে হবে।"
.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন